ইলমের জন্য সফর করা।
ইলমের জন্য সফর করার মাসয়ালা ।
![]() |
| ইলম |
ইলম অর্জন করার জন্য ,বিজ্ঞ আলেম হওয়ার জন্য সফর করা আবশ্যক ।
আমরা ইতিহাস আলোচনা করলে দেখতে পাই, সকল বড় বড় আলেম তারা এলেম অর্জন করার জন্য বিভিন্ন প্রান্তে প্রান্তে দেশে দেশে ঘুরে ঘুরে এলেম অর্জন করেছেন ।
এখানে কয়েকটি বিষয় লক্ষণীয় :
যে এলেম অর্জন করার জন্য আমি সফর করবো এতে যেন অন্য কাউকে কষ্ট দেওয়া না হয় ।
বিশেষ করে পিতা-মাতা স্ত্রী পরিজন যদি থাকে তাহলে তাদের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে।
আমার সফরের কারণে যদি মাতা-পিতা ও সন্তানের ভরণপোষণ এবং তাদের জীবন চলার পাথে এর ব্যাপারে আশংকা হয় অর্থাৎ তার সম্পদ না থাকে এবং তাদের রক্ষনাবেক্ষনের মত কেউ না থাকে তাহলে এলেম অর্জন করার জন্য কোন অবস্থাতে সফর করতে পারবো না ।
তাই ফরজে আইন পর্যায়ের এলেম হাসিল করার জন্য হোক বা ফরজে কেফায়া পর্যায় হাসিল করার জন্য হোক কোন অবস্থাতেই সফর করা যাবে না।
আর তাদের ব্যাপারে এরূপ আশঙ্কা না থাকলে মাতা পিতা বা স্ত্রী নিষেধাজ্ঞা মানা আবশ্যক না ।
তবে সন্তান যদি দাড়ী বিহীন বালক হয় , তার পিতা-মাতা তার চরিত্র নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় সফর করতে নিষেধ করেন তাহলে সে নিষেধাজ্ঞা মান্য করা জরুরি।
কিংবা যদি সফরের কারণে সন্তানের জীবনের আশঙ্কা থাকে তাহলেও সন্তানকে পিতা-মাতার নিষেধাজ্ঞা মানতে হবে।
আর মুস্তাহাব এলেম অর্জন অর্থাৎ এলমে ইসলামে পাণ্ডিত্য অর্জন করা ।
সর্বাবস্থায় পিতা-মাতার আনুগত্য করা উত্তম স্ত্রী আনুগত্য করা না-করা স্বামীর ইচ্ছা ,
করতে ও পারো নাও করতে পারে ।
উভয় টার অবকাশ রয়েছে ।
তবে এখানে একটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে যে, স্ত্রীর ভরণপোষণ এবং চার মাস অন্তর অন্তর একবার তার সঙ্গে মিলন স্ত্রীর অধিকার এবং এটা স্বামীর উপর ওয়াজিব ।
অধিকার আদায়ের ত্রুটি না হলে ইলম এর জন্য সফর করা জায়েজ ।
তবে যদি সে স্বেচ্ছায় নিজের অধিকার ছেড়ে দিয়ে স্বামীকে সফরে যাওয়ার অনুমতি দেয় , তাহলে স্বামীর পক্ষে সফর করা জায়েয হবে ।
তারপরেও একটি লক্ষ্য রাখতে হবে যেন স্ত্রীর চারিত্রিক কোন বিষয়ে আশঙ্কা না থাকে ।
আপনার সৃষ্টি হওয়ার কোন আশঙ্কা না হয় , তাহলে সফরে যাওয়া বা সফরে থাকা জায়েজ হবে অন্যথায় হবে না ।
(আহসানুল ফতোয়া ,আহকামে জিন্দেগী , )

কোন মন্তব্য নেই
Thank you for your reply as 🥰