নবীজির দয়া ও ভালোবাসা ।
নবীজির দয়া ও ভালোবাসা ।
নবীজির উম্মতের উপর এত ভালোবাসা ও দয়া দেখিছেন, যা ইতিপূর্বে নবীদের ইতিহাসে নেই।
উম্মতের জন্য অন্য কোন নবী তার উম্মতের জন্য করেনি ।
আল্লাহর নবী নিজেই বলেছেন আমাকে যত বেশী কষ্ট দেওয়া হয়েছে এই দ্বীনের খাতিরে তা অন্য কোন নবীকে দেওয়া হয়নি।
হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বলেন একদিন আমি আব্বাজান কে একটি রুটির টুকরো খেতে দিলাম । রুটিটি হাতে নিয়ে তিনি বললেন মা তিন দিনে এই তোমার পিতার সর্বপ্রথম খাবার।
হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন : এক মাস দুই মাস তিন মাস ধরে নবীর পরিবার অতিবাহিত করেছি অথচ আমাদের কারো ঘরে চুলা জ্বলে নি।
তায়েফের ময়দানে বদান্যতা।
সেদিন যখন দাওয়াত দিতে গিয়ে তায়েফ অবস্থান করেছিলেন ।
তখন তার দাওয়াত গ্রহণ করা তো দূরের কথা উল্টো তাকে পাগল বলে তার তার পেছনে যুবকদেরকে লেলিয়ে দিয়ে পাথর নিক্ষেপ করার জন্য নিষ্ঠুর কাফেররা আদেশ করল ।
ছেলেটা তাকে মাইলের পর মাইল তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াতে লাগল ।
আর ইটপাটকেল ছুড়তে লাগল যখন জর্জরিত হয়ে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর পুরো শরীর রক্তে রঞ্জিত হয়ে গিয়েছে তার পায়ের মধ্যে রক্ত শুকিয়ে তার জুতা মোবারক পায়ের সাথে যুক্ত হয়ে গেছে।।
উম্মতের ভালোবাসায় কষ্ট সহ্য করেছে।
প্রচুর রক্তক্ষরণের তিনি বেহুশ হয়ে পড়েছিলেন তবুও সেদিন তায়েফ বাসির জন্য বদ দোয়া করেন ।
বরং তাদের ছেলে সন্তানদেরা হেদায়েত গ্রহণ করবেন এই প্রত্যাশায় মাফ করে দিয়েছেন।
- কে ছিলেন তিনি?
- কি ছিল তার পরিচয় ?
- কেন হয়েছিল তাঁর এত কষ্ট?
- তিনি এত কষ্ট কাদের জন্য সহ্য করেছেন?
- তিনি এত দুঃখ ভোগ করেছেন ?
এসব প্রশ্নের উত্তর একটি তিনি ছিলেন সমগ্র পৃথিবীর একক নবী, সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী,যাকে সৃষ্টি না করলে কোন কিছুই সৃষ্টি হতো না ।
দীন ইসলাম যাতে কেয়ামত পর্যন্ত আগমনকারী প্রত্যেকটি উম্মতের দ্বারে দ্বারে পৌছে যায় এবং তা গ্রহণ করে চির শাস্তির হাত থেকে মুক্তি পায়। জান্নাত লাভ করতে পারে।
সেজন্যই তার এই কষ্ট সহ্য করা ।
তোমাদের জন্য। আমাদের জন্য। গোটা মানবতার জন্য ।
এজন্যই তো তাকে রাহমাতুল্লিল আলামিন বলা হয়
وما ارسلناك الا رحمه للعالمين


কোন মন্তব্য নেই
Thank you for your reply as 🥰