Header Ads

Header ADS

কি কি কাজ করলে আপনি অনায়াসে ঘুমাতে পারবেন।

 







কি কি কাজ করলে আপনি নিয়মিত ঘুমাতে পারবেন।


মানুষের শরীর স্বাস্থ্য ঠিক থাকার জন্য দৈনন্দিন ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানোর প্রয়োজন হয়। কোনদিন যদি ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে যায় ,ওই দিনের কাজ কারবার, ডিউটি, অফিস সবকিছুতেই তার রেশ থেকে যায়। তাই নিয়মিত ঘুমানোর জন্য কিছু টিপস ফলো করা আবশ্যক।

এক নাম্বার
ঘুমের জন্য প্রতিদিন একটি সময়কে নির্দিষ্ট করে নিন।

প্রতিদিন একই সময়ে বিছানায় যান এবং ঘুম থেকে একই সময়ে উঠোন। এমনকি ছুটির দিনেও সময়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া আবশ্যক। এ অভ্যাস নিয়মিত করতে পারলে আপনার সময় মত ঘুম চলে আসবে

দুই নাম্বার
ঘুমানোর পূর্বে আপনি কী খাচ্ছেন কি পান করছেন সেদিকে মনোযোগ দিন।


আপনি ক্ষুধার্ত বা সম্পূর্ণ তৃষ্ণার্থ হলে ঘুমাতে যাবেন না । ঘুমানোর আগে আপনি সীমিত পরিমাণে পান করুন এবং সীমিত পরিমাণে খাদ্য গ্রহণ করুন ।
ঘুমানোর পূর্বে চা- কপি এবং অ্যালকোহল জাতীয় সকল প্রকার জিনিস থেকে দূরে থাকুন ।

তিন নাম্বার
ঘুমানোর জন্য নিরিবিলি জায়গা নির্বাচন করুন ।
আলমোক্স ও অন্ধকারাচ্ছন্ন শব্দ ও আওয়াজ ভারত মুক্ত একটি রুম কে নির্বাচন করুন।

4 নাম্বার
দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় কমান।

দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় কমান। কারণ দিনে দীর্ঘ সময় ঘুমালে তা রাতের ঘুমের মধ্যে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে ।

পাঁচ নাম্বার
ঘুমানোর পূর্বে শারীরিক পরিশ্রম করুণ।


দৈনন্দিন ব্যায়াম করুন বা শারীরিক পরিশ্রম করুন কারণ নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যায়াম ঘুমের প্রতি উৎসাহিত করে এবং গভীর ঘুমের সহায়তা প্রদান করে। বিশেষ করে শয়নকালের কাছাকাছি সময়ে ব্যায়াম করলে তার ঘুমের জন্য একেবারে পারফেক্ট হয়।


6 নাম্বার
ঘুমের আদর্শ সময়।


ঘুমের আদর্শ সময় হল রাত এগারোটা থেকে নিয়ে সকাল সাতটা পর্যন্ত এটা আমাদের বায়োলজিক্যাল সময় ।
কিন্তু পড়াশোনা বা অন্যান্য কাজে জড়িয়ে ঘুমানোর ক্ষেত্রে দেরি হয় । তারপরও যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে যত দ্রুত সম্ভব ঘুমিয়ে যেতে হবে।

7 নাম্বার
অন্ধকারকে নির্বাচন করুন।


রাতে যথাসম্ভব আলো থেকে দূরে থাকবেন। ঘুমানোর কমপক্ষে আধা ঘন্টা পূর্বে রুমের লাইট বন্ধ করে অন্ধকারাচ্ছন্ন করে নেবেন এবং মোবাইল হাতের বাইরে রাখবেন ।

সাত নম্বর
ঘুমানোর পূর্বে ব্যায়ামের পদ্ধতি।

ঘুমানোর পূর্বের কিভাবে ব্যায়াম করবেন ঘুমানোর পূর্বে সবচেয়ে সুন্দর ও ভালো ব্যায়াম এভাবে করতে পারেন
      

           4 সেকেন্ড নাক দিয়ে খুব ভালো করে শ্বাস নিন ।
           7 সেকেন্ড শ্বাস ধরে রাখুন ছাড়বেন না
            8 সেকেন্ড ধরে মুখ দিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস পারো

এভাবে কয়েকবার করুন এবং ঘুমাতে যান এটাকে 4 ,7 ,8 ,ব্যায়াম নামেও ব্যক্ত করা হয়।



9 নামবার
 কখন ডাক্তার দেখাবেন।


কখন ডাক্তার দেখাবেন ,তা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ।
মাঝে মাঝে এমন হতে পারে যে হঠাৎ একটি রাতে ঘুম আসতে অনেক দেরি হচ্ছে ।
এটা স্বাভাবিক বিষয় কিন্তু যদি এটা নিয়মিত হয়ে যায়, তাহলে আপনাকে ডাক্তারের শরাপন্ন হতে হবে।

কোন মন্তব্য নেই

Thank you for your reply as 🥰

Blogger দ্বারা পরিচালিত.