Header Ads

Header ADS

কোন কোন বিষয়ের উপর ঈমান আনলে একজন ব্যক্তি মুমিন হতে পারে।

 ইসলামের মধ্যে ঈমান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ।


একজন মানুষ মুসলমান হওয়ার জন্য ঈমানদার হওয়া আবশ্যক। একজন পরিপূর্ণ ঈমানদার হওয়ার জন্য কোন কোন বিষয়ে বিশ্বাস স্থাপন করা এবং মুখে স্বীকার করা জরুরি তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো::

এক নাম্বার :
আল্লাহতালার উপর বিশ্বাস স্থাপন করা জরুরি।
যে আল্লাহ তাআলা এক অদ্বিতীয় এবং তিনি অস্তিত্বমান তার অনেক অসংখ্য গুণাবলী রয়েছে, তার সকল গুণের উপর বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে এবং তার গুণের মধ্যে অন্য কেউ তার মতো করে শরিক নেই।

দুই নাম্বার
ফেরেশতা দের উপর ঈমান আনা ।
যে , সকল ফেরেশতা তারা সকলেই এক প্রকার নূরের তৈরী আল্লাহর সৃষ্টি তারা আল্লাহর আদেশ পালনে সবসময় ব্যস্ত থাকেন, প্রস্তুত থাকেন। তারা বিন্দুমাত্র আল্লাহতালা আদেশের ব্যতিক্রম করেন না ।

তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য :
  1. জিবরাঈল
  2. মিকাঈল
  3. ইসরাফিল
  4. আজরাইল


তিন নাম্বার
নবী-রাসূলগণ সম্বন্ধে বিশ্বাস করা যে, তিনি শেষ নবী আখেরী নবী (হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম) এবং আল্লহ তাআলা আরোও যত নবী রাসূল প্রেরণ করেছেন এসকলে সত্য।

এবং তারা নিষ্পাপ তারা সকলেই মানুষ তারা সকলেই আল্লাহ তা'আলা বাণী পৌঁছে দিয়েছেন।

তাদের মধ্যে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম সর্বশেষ এবং শ্রেষ্ঠ।

তাঁরা কবরে জীবিত রয়েছেন। আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম কবরে জীবিত আছেন। তাঁকে সালাম দেওয়া হলে তিনি শুনেন এবং উত্তর প্রদান করেন।

দূর থেকে তো নবীকে সালাম দেওয়া হলে ফেরেশতাগণ উনার নিকট পৌঁছে দেন।

হযরত মুহাম্মদ সাল্লাম সর্বশেষ নবী । তার পর কোন নবী রিসালাত নিয়ে আগমন করবেন না ।
তবে হযরত ঈসা মাসিহ, তিনি কেয়ামতের পূর্বে শেষ নবীর উম্মত হিসাবে দুনিয়াতে এসে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু নবী কারীম হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ইসলামের আলোকে পৃথিবীতে পুনরায় ইসলাম প্রতিষ্ঠা করবেন ।


4 নাম্বার

আল্লাহ কিতাব সম্বন্ধে বিশ্বাস স্থাপন করা।

যে আল্লাহ তা'আলা মানব জাতির কল্যাণে দিকনির্দেশনামূলক যতগুলা কিতাব দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন সবগুলি সত্য এবং সবগুলোই আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে।

কিতাব সমূহের মধ্যে কিছু কিছু রয়েছে ছোট।
চারটি কিতাব বড় ।
  1. তাওরাত
  2. যাবুর
  3. ইঞ্জিল
  4. কোরআন


পাঁচ নাম্বার
আখেরাতের ওপর ঈমান আনা ।

অর্থাৎ দুনিয়ার পরের জিন্দেগি সত্য মৃত্যুর পরে মানুষ কবরের মধ্যে উঠানো হবে। কবরের মধ্যে ছোয়াল জওয়াব করা হবে। কবরের জগত শেষ হলে হাশর-নশর হবে। সেখানে মানুষের হিসাব নিকাশ হবে।

তাদের আমলনামা জিজ্ঞাসা করা হবে। কবরের সওয়াল জওয়াব সত্য কবরের আজাব সত্য। হাশর-নশর পুনরুত্থান সত্য। আল্লাহ তাআলার বিচারও হিসাব-নিকাশ সত্য। আমল নামা এর ওজন করা তা সত্য ।
কারো ডান হাতে আমলনামা দেয়া হবে ।
কার বাম হাতে আমলনামা দেয়া হবে ।
হাতের মধ্যে আমলনামা দেওয়া সত্য ।


পুলসিরাত সত্য। হাউজে কাউসার সত্য। হাতের মধ্যে আমলনামা দেওয়া সত্য। শাফাআত ,জান্নাত, জাহান্নাম সত্য ।

ছয় নাম্বার

ভালো-মন্দ তাকদীরের উপর বিশ্বাস করা।
আল্লাহতালা সবকিছু সৃষ্টি করার পূর্বে জগৎ সৃষ্টির একটা নকশা করে রেখেছেন এই নকশা ও পরিকল্পনা কে বলা হয়তাকদির।
তাঁর সে পরিকল্পনা এবং নকশা অনুসারে সবকিছু সংঘটিত হয় এবং হবে।

অতএব ভালো-মন্দ সবকিছু আল্লাহর তরফ থেকে এবং তাকদীরের অনুযায়ী সংগঠিত হয়ে থাকে এ বিশ্বাস রাখতে হবে।

ঈমানের এ কয়েকটি বিষয় হলো মৌলিক এগুলো কারো মধ্যে না থাকলে সে মুমিন হতে পারবে।
তাই মোমেন হওয়ার জন্য আমরা সকলেই এগুলোর উপর বিশ্বাস করব এবং অন্যদেরকেও এগুলি শিখিয়ে দিব এবং তাদেরকে বিশ্বাস করতে বলবো।



কোন মন্তব্য নেই

Thank you for your reply as 🥰

Blogger দ্বারা পরিচালিত.