তাকদীরের প্রতি ঈমান আনার অর্থ কি?
তাদের উপর বিশ্বাস স্থাপন ।
তাকদীর সম্বন্ধে ঈমান রাখার অর্থ হলো নিম্নবর্ণিত বিষয় সমূহের প্রতি বিশ্বাস রাখা। যথা:
এক নাম্বার :
সবকিছু সৃষ্টি করার পূর্বেই আল্লাহতালা সবকিছু লোওহে মাহফুজে লিখে রেখেছেন দুনিয়ার সকল কিছু ঘটার পূর্বেই আল্লাহ তাআলা সেসব বিষয় সম্বন্ধে অবহিত এবং তার লিখে রাখা নির্ধারিত ইচ্ছা অনুসারে সবকিছু সংগঠিত হয়ে থাকেন ।
তিনি ভালো-মন্দ সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। তবে মন্দ সৃষ্টির জন্য তিনি দুষী নয় বরং সে মাত্র উপার্জন করবে সে দোষী। কেননা মন্দ সৃষ্টি মন্দ নয় বরং উপার্জন করা হলো মন্দ। মন্দ সৃষ্টি এজন্য মন্দ নয় যে তার মধ্যেও বহু পরোক্ষ কল্যাণ নিহিত রয়েছে। তাই ভালো কাজে আল্লাহর সন্তুষ্ট এবং মন্দ কাজে ও আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে থাকতে হবে।
আর আল্লাহ তাআলা কলম দ্বারা লওহে মাহফুজে তাকদীর লিখে রেখেছেন সেই লিখে রাখা অনুপাতে সবকিছুর হচ্ছে এবং সারা দুনিয়ার চলছে এ কথার উপর বিশ্বাস করাই তাকদীর'।
এর উপর বিশ্বাস করা মানুষ একদিকে নিজের অক্ষম ভেবে নিজেকে দায়িত্বহীন মনে করবে না, এরকম ভাবলে হবে না যে , আমার সবকিছুই যেহেতু আল্লাহতালা নির্ধারণ করে রেখেছেন, তাহলে আমরা নতুন করে কিছু করার নেই ।
তাই তিনি যা লিখে রেখেছেন , তাই তো হবে আমার কষ্ট করার কি প্রয়োজন।
আবার এরকম কল্পনা করা যাবে না যে , তাকদীরে বাহিরে আমার মন মত আমি সব কিছু করে ফেলতে পারবো ।
মানুষের প্রতি আল্লাহ যতোটুকু আদেশ-নিষেধ রয়েছে, তার কোনোটা মানুষের সাধ্যের বাহিরে নয়। কোন অসাধ্য বিষয়ে আল্লাহ তা'আলা মানুষকে আদেশ করেন নি ।
আল্লাহ তাআলার উপর কোন কিছু আবশ্যক নয়। তিনি কাউকে কোন কিছু দিতে বাধ্য নন।
তিনি যা দান করেন সবকিছু তাঁর পক্ষ থেকে বান্দার প্রতি রহমত ও মেহেরবানি।
এভাবে বিশ্বাস করার নামে তাকদীরের প্রতি ঈমান আনা।
এই তাকদীরের প্রতি ঈমান আনা ব্যতীত কেউ পরিপূর্ণ মুমিন হতে পারে না । তাই আমাদের সকলকে এই তাকদীরের প্রতি পরিপূর্ণ বিশ্বাস রাখতে হবে আস্থার শহীদ ভরসা করতে হবে।

কোন মন্তব্য নেই
Thank you for your reply as 🥰